Leave Your Message
সংবাদ বিভাগ
আলোচিত সংবাদ

আন্তর্জাতিক ঋতুস্রাব দিবস: স্যানিটারি ন্যাপকিন, ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের জন্য "ঘনিষ্ঠ সহকারী"

২০২৪-০৫-২৮

প্রতি বছর ২৮শে মে আন্তর্জাতিক ঋতুস্রাব দিবস বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করে। এই দিনে, আমরা মহিলাদের ঋতুস্রাবের স্বাস্থ্যের উপর মনোযোগ দিই এবং এই বিশেষ সময়কালে মহিলাদের চাহিদা এবং অভিজ্ঞতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং বোধগম্যতার পক্ষে কথা বলি। ঋতুস্রাব সম্পর্কে কথা বলার সময়, আমাদের উল্লেখ করতে হবেস্যানিটারি ন্যাপকিনs - এই "ঘনিষ্ঠ সহকারী" যা প্রতিটি মাসিকের সময় মহিলাদের সাথে থাকে।

 

স্যানিটারি ন্যাপকিন দীর্ঘদিন ধরে মহিলাদের জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। ঋতুস্রাবের সময়, স্যানিটারি ন্যাপকিন মহিলাদের একটি পরিষ্কার এবং আরামদায়ক পরিবেশ প্রদান করে, কার্যকরভাবে মাসিকের রক্ত ​​শোষণ করে, পার্শ্বীয় ফুটো রোধ করে এবং ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের আরামকে ব্যাপকভাবে উন্নত করে। স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার কেবল ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের অস্বস্তি এবং বিব্রতকর অবস্থা কমাতে পারে না, বরং অবশিষ্ট মাসিক রক্তের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিও কার্যকরভাবে কমাতে পারে।

 

দুঃখের বিষয় হল, আধুনিক নারীদের জীবনে স্যানিটারি ন্যাপকিন এত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, এখনও অনেক নারী আছেন যারা আর্থিক, সাংস্কৃতিক বা সামাজিক কারণে উচ্চমানের স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে পারেন না। এটি কেবল তাদের দৈনন্দিন জীবনের মানকেই প্রভাবিত করে না, বরং তাদের স্বাস্থ্যের জন্যও সম্ভাব্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

এই বিশেষ দিনে, আন্তর্জাতিক ঋতুস্রাব দিবসে, আমরা মহিলাদের ঋতুস্রাবের স্বাস্থ্যের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের গুরুত্বের উপর জোর দিতে চাই এবং সমাজের সকল স্তরের যৌথ প্রচেষ্টার পক্ষে কথা বলতে চাই যাতে প্রতিটি মহিলার নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের অ্যাক্সেস থাকে। এটি কেবল মহিলাদের মৌলিক শারীরবৃত্তীয় চাহিদার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে না, বরং মহিলাদের স্বাস্থ্য এবং মর্যাদা বজায় রাখার জন্যও।

 

একই সাথে, আমাদের এটাও বুঝতে হবে যে স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে মহিলাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করা, নিয়মিত পরিবর্তন করা এবং আপনার গোপনাঙ্গ পরিষ্কার রাখা হল স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যা প্রতিটি মহিলার তার মাসিকের সময় মনোযোগ দেওয়া উচিত।

 

আন্তর্জাতিক মাসিক দিবসে, আসুন আমরা আবারও মহিলাদের মাসিকের সময় স্যানিটারি ন্যাপকিনের গুরুত্বের উপর জোর দিই এবং সমগ্র সমাজকে মহিলাদের মাসিক স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার, মাসিক সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাগুলি ভেঙে ফেলার, মহিলাদের স্বাস্থ্য রক্ষা করার এবং তাদের আরও যত্ন ও সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানাই। মাসিকের সময় প্রতিটি মহিলাকে আরামদায়ক এবং সুস্থ জীবনযাপন করতে সক্ষম করা আমাদের সাধারণ দায়িত্ব এবং প্রচেষ্টা।

 

মাসিক সম্পর্কে বেশ কিছু সাধারণ ভুল ধারণা রয়েছে:

 

১. মাসিকের রক্ত ​​যা গাঢ় রঙের অথবা রক্ত ​​জমাট বাঁধা অবস্থায় থাকে, তা স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত রোগ নির্দেশ করে।

 

এটা একটা ভুল ধারণা। মাসিকের রক্তও রক্তেরই একটি অংশ। যখন রক্ত ​​আটকে যায় এবং সময়মতো বের করে না দেওয়া হয়, যেমন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, তখন রক্ত ​​জমাট বাঁধবে এবং রঙ পরিবর্তন করবে। জমাট বাঁধার পাঁচ মিনিট পরে রক্ত ​​জমাট বাঁধবে। মাসিকের সময় রক্ত ​​জমাট বাঁধা স্বাভাবিক। শুধুমাত্র যখন রক্ত ​​জমাটের আকার এক ইউয়ান মুদ্রার সমান বা তার চেয়ে বড় হয়, তখনই আপনাকে আরও পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যেতে হবে।

 

২. বিয়ে বা সন্তান জন্ম দেওয়ার পর ডিসমেনোরিয়া চলে যাবে।

 

এই দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক নয়। যদিও কিছু মহিলার বিবাহ বা প্রসবের পরে মাসিকের সময় ব্যথা কম হতে পারে, তবে সবার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। ডিসমেনোরিয়ার উন্নতি ব্যক্তিগত শারীরিক গঠন, জীবনযাত্রার অভ্যাসের পরিবর্তন বা হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে এটি একটি সর্বজনীন নিয়ম নয়।

 

৩. মাসিকের সময় আপনার বিশ্রাম নেওয়া উচিত এবং ব্যায়াম করা উচিত নয়।

 

এটাও একটা ভুল ধারণা। যদিও মাসিকের সময় কঠোর ব্যায়াম উপযুক্ত নয়, বিশেষ করে পেটের চাপ বাড়ানোর জন্য শক্তির ব্যায়াম, আপনি নরম জিমন্যাস্টিকস, হাঁটা এবং অন্যান্য মৃদু ব্যায়াম বেছে নিতে পারেন, যা রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়াতে পারে, পেশীগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করতে পারে এবং রক্তকে আরও সুচারুভাবে নিষ্কাশন করতে দেয়।

 

৪. মাসিক খুব কম হলে বা চক্র অনিয়মিত হলে এটি অস্বাভাবিক।

 

এই বক্তব্য সম্পূর্ণ সঠিক নয়। ঋতুস্রাব ৩ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া স্বাভাবিক। যতক্ষণ মাসিক চক্র দুই দিন স্থায়ী হতে পারে, ততক্ষণ খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই। একই সাথে, যদিও আদর্শ মাসিক চক্র প্রতি ২৮ দিন অন্তর হওয়া উচিত, একটি অনিয়মিত চক্রের অর্থ অগত্যা অস্বাভাবিক নয়, যতক্ষণ চক্রটি স্থিতিশীল এবং নিয়মিত থাকে।

 

৫. মিষ্টি এবং চকোলেট মাসিকের ব্যথা কমাতে পারে

 

এটি একটি ভুল ধারণা। যদিও মিষ্টি এবং চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে, তবুও এগুলি মাসিকের ব্যথা কমাতে পারে না। বিপরীতে, অতিরিক্ত চিনি আপনার শরীরের খনিজ এবং ভিটামিন শোষণের ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে যা মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

 

৬. মাসিকের সময় চুল ধোবেন না

 

এটিও একটি সাধারণ ভুল ধারণা। আপনি আপনার মাসিকের সময় চুল ধুতে পারেন, যদি আপনি ধোয়ার পরপরই চুল ব্লো ড্রাই করেন যাতে আপনার মাথা ঠান্ডা না হয়।

 

তিয়ানজিন জিয়া নারীদের স্বাস্থ্যবিধি পণ্য কোং, লিমিটেড

২০২৪.০৫.২৮